1. admin@pdtv24.com : admin :
  2. seomanager2026@mail.com : seomanager2026 :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন

আমলাতন্ত্রের জুলাই সৃষ্টির প্রেক্ষাপট তৈরিকারী ড. শেখ মো. আব্দুর রশিদ।।

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ২৪৬ বার পঠিত

আমলাতন্ত্রের জুলাই সৃষ্টির প্রেক্ষাপট তৈরিকারী ড. শেখ মো. আব্দুর রশিদ।।
দীর্ঘ এক বছর পর মাথা নিচু করে গণমাধ্যমের মুখোমুখি।।

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: ডঃ মো. শেখ আব্দুর রশিদ ৮২ নিয়মিত ব্যাচের অফিসার। জুলাইয়ের পরিবর্তনের পর তিনি চুক্তিভিত্তিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
তিনি এবং তার ব্যাচের অন্যান্য অফিসারগণ মিলে এক জোট হয়ে প্রথমেই নিজ ব্যাচের অফিসারদের ভাগ্য পরিবর্তনে হাত দেন।

ইতিহাসের রেকর্ড করা ঘটনা ঘটে এই ব্যাচের ৮০ জন অফিসারের মধ্যে ৫০ জনকে ভূতাপেক্ষ সচিব করার মধ্য দিয়ে।
সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এর মেয়াদ শেষ হবার পর ডক্টর শেখ আব্দুর রশিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয় অন্তর্বর্তীকালীন (ভারপ্রাপ্ত)মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে।
কথা ছিল প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস স্বাক্ষরিত পরবর্তী মন্ত্রী পরিষদ সচিব আসলে তিনি তার দায়িত্বভার ছেড়ে দিবেন।
৮২ নিয়মিত ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচের অফিসরগণ চাইছিলেন ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস যেন তাদের ব্যাচের অফিসারদের মধ্য থেকেই মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করেন।

সবাইকে অবাক করে দিয়ে ৩৬ জুলাই জনক এবং জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড ব্যুরোক্রেট নবম বিসিএস এডমিন ক্যাডার জনাব শামসুল আলম কে সিনিয়র সচিব প্রমোশন ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে পদায়নের অনুমোদন দেন নোবেলজয়ী ও প্রধান উপদেষ্টা জনাব ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস।

মাথায় বাজ পড়ে ৮২ ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচের অফিসারদের। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র এবং পরবর্তীতে গঠিত এনসিপির নেতৃবৃন্দদেরকে নিজেদের কাছে টেনে ও নিজেদের সমর্থন আদায়ের ভিত্তিতে তারা শামসুল আলম কে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বটি অর্পণ থেকে বিরত থাকে।

মুহূর্তেই সচিবালয় পাড়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে যায় এবং ক্ষোভ ও অসন্তোষ জমতে থাকে।
এ অবৈধ কর্মটি টক অফ দ্যা সচিবালয় হিসেবে কানে মুখে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। যা শেষ পর্যন্ত প্রেসক্লাবসহ রাজপথের আলোচনা ও আন্দোলনের অংশ হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদবী টি রাজনৈতিক পোস্ট। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পলিসি নিয়েই মন্ত্রী পরিষদ সচিব মিডিয়া ব্রিফিং করে থাকেন।

নিজের হীনমন্যতা লুকাতে লোক লজ্জার ভয়ে লোক চক্ষুর আড়ালে চলে গিয়ে রাজনৈতিক পোস্ট মন্ত্রী পরিষদ সচিব পদে দায়িত্ব থেকেও তিনি এক বছরের মধ্যে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হননি। তার চাকুরীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল ইসলাম।

পদ্মাটিভি২৪ লিমিটেড এ ধারাবাহিক রিপোর্ট ও হেড অফ নিউজ আব্দুল্লাহ জিয়ার ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নে আগামী নির্বাচন উপলক্ষে পক্ষপাত দুষ্ট দায় নিয়ে দীর্ঘ এক বছর পর তাকে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মাথা নিচু করে কথা বলতে দেখা গেছে।

৮২ ও ৮২ নিয়মিত ব্যাচের ব্যাপারে
যে কথাগুলি আলোচনা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো,

বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি ক্ষুধার্ত ব্যাচের নাম ৮২ নিয়মিত ও ৮২ স্পেশাল ব্যাচ। যারা সকল গুরুপদে থাকতে যুগের পর যুগ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ও চালাবে।

ফাইল আটকে ঘুষ চাওয়ার যে কথাটি দুর্নীতিতে ব্যাপক সরব তেমনি একটি বাস্তব চিত্র হয়েছে যে, আরেকজনের পদায়নের ঘোষিত ও লিখিত ফাইল আটকে সেই পদে বসার কথাটি আলোচনায় উঠে আসে। যা পুরো আমলাতন্ত্রকেই কলঙ্কিত করে।

চাকরিরত সকল দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ আমলার মত হচ্ছে, এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অফিসারগণ সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকেন ও দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক হন।
সেজন্য নিয়মিত ব্যাচের অফিসারদের মধ্য থেকে যাদের চাকরি রানিং রয়েছে সেসকল রানিং অফিসারের মধ্য থেকে সব ধরনের গুরুপদে দায়িত্ব দেয়া দরকার এবং রাজনৈতিক সরকারের কাছেও তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন যেন কোন অবস্থাতেই যাদের চাকরি শেষ হয়ে গেছে তাদেরকে এনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে প্রশাসনে অচল অবস্থা সৃষ্টি না করা হয়।

৮২ এর এই দুই ব্যাচ দ্বারা যে প্রশাসনিক অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তার অন্যতম উদাহরণ হল ২০ তম বিসিএস ব্যাচ কে প্রোমোশন বঞ্চিত রেখে ২১ ও ২২ ব্যাচকেও সেশন জটের কবলের ফেলা। যে জট পরবর্তী ৪৫ তম ব্যাচ পর্যন্ত মিটবেনা। অর্থাৎ এক ব্যাচের স্বেচ্ছাচারী দায়িত্বশীলতার ও
স্বৈরাচারী নীতির কবলে হতভাগা হবে পুরো আমলাতন্ত্র।

এক ব্যাচের প্রমোশন এক বছর দেরিতে হলে প্রতিটি ব্যাচের উপর প্রমোশন একইভাবে হবে সেক্ষেত্রে অনেকেই প্রমোশন বঞ্চিত হয়ে শীর্ষ পদে যাওয়ার ক্ষেত্রে বঞ্চিত হবে।

যার দায় গিয়ে পড়বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ৮২ ব্যাচের দায়িত্বশীল সকল অফিসারের উপরে।

এক ব্যাচের স্বেচ্ছাচারী নীতির কারণে হাজার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং হাজার হাজার পরিবারে ক্ষোভের দাবানল জ্বলে উঠবে।

স্বৈরাচারী রাজনৈতিক শক্তির পতনের জন্য ৩৬ জুলাই আসলেও এবার হয়তো আসবে স্বৈরাচারী আমলা নীতি ও আমলা ফ্যাসিইজম পতনের জন্য আরেকটি জুলাই।

-রিপোর্ট টি ২০২৫ সালে করা হয়েছিল।

https://www.facebook.com/share/p/1EfXgexxRP/

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost