আব্দুল্লাহ জিয়া, ঢাকা :আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এনসিপি এবং জামায়াত এর সুবিধাভোগী ও পৃষ্ঠপোষক খ্যাত ৮২ স্পেশাল ও ৮২ নিয়মিত ব্যাচের অফিসারগণ জামায়াত ও এনসিপি কে ক্ষমতায় আনার ছক একেঁছেন বলে অনেকের ধারণা।
তারেক রহমান দেশে আসার আগে যে ছক তৈরি করা হয়েছিল সেই ছক তারেক রহমান আসার পরে পূর্ণরুপে ও পুরোপুরি উল্টে পাল্টে না দিলে আগামী নির্বাচন বিএনপি’র জন্য লেবেল প্লেইন ফিল্ড হওয়ার ক্ষেত্রে শতভাগ সন্দেহ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ যে ধরনের ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে বোকা বানিয়ে ও বিএনপিকে ধোঁকা দিয়ে জনগণকে বোকা বানিয়ে ক্ষমতায় থেকে ছিল একই ধরনের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে ৮২ ব্যাচের নেতৃত্বাধীন জনপ্রশাসনের সেটআপ থেকে।
২৪ এর জুলাই এর উপকারভোগী হিসেবে সবচাইতে যে ব্যাচ প্রশাসনকে শোষণ ও শাসন করেছে তা হচ্ছে ৮২ ব্যাচ।
জনপ্রশাসন সূত্রে, জানা গেছে যে ৮২ ব্যাচের নেতৃত্বাধীন ভূতাপেক্ষ ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া অফিসারগণ ইচ্ছেমতো তাদের মতের ও পথের এবং উৎকোচের মাধ্যমে পদায়ন ও প্রমোশন করেছেন।
প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি করা এবং অতিরিক্ত সচিব পদের ১২০টি পদ ফাঁকা সত্বেও প্রমোশন বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে বিগত এক বছর যাবত ২০ তম বিসিএস এডমিন ক্যাডারের অফিসারদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ২০ তম ব্যাচের অফিসারগণ নানা রকম অসংগতির কথা পদ্মা টিভি ২৪ কে তুলে ধরেন।
২০ তম ব্যাচ কে অতিরিক্ত সচিব করা হবে এমন গুঞ্জন বিগত এক বছর ধরে চললেও আজ অবধি তা সুরাহা করেননি ৮২ ব্যাচের নেতৃত্বাধীন জনপ্রশাসন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
অতিরিক্ত সচিব প্রমোশন ঝুলিয়ে রেখে এনসিপি এবং জামায়াতকে ক্ষমতায় আনতে প্রশাসনের মাধ্যমে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে অনেকে নাম না প্রকাশ করার শর্তে অভিমত প্রকাশ করেন।
আগামী নির্বাচন ঘিরে বিএনপি’র কয়েক দফা দাবি নিয়ে ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর সাথে দফা রফা করার ভিত্তিতে নির্বাচনে যাওয়া এবং না যাওয়া নির্ভর করছে এমন বিবৃতি বিএনপির পক্ষ থেকে আসা দরকার।
উপরোক্ত পাঁচ দফার ভিত্তিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এবং জোট যদি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তবেই তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রাস্তাটি সুগম হবে।
অন্যথায় যে চক্রান্তের ছক রয়েছে সেই চক্রান্তের ক্ষেত্রে বড় ধরনের জটিলতায় পড়তে পারে রাজপথের ১৭ বছরের সংগ্রামের লড়াইকারী বিএনপি ও সমমনা দলসমূহ।
অতএব, কান্ডারী হুশিয়ার!! পাঞ্জেরী!!
রাত পোহাতে আর নেই বেশি দেরি।
-আব্দুল্লাহ, জিয়া।