বিশেষ প্রতিনিধি: উপরের বিসিএস অফিসারগণ যখন নিচের কর্মচারীদের ব্যাপারে চাকুরী বিধি না মেনে বৈষম্য করেন তখন তারা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কিভাবে যথাযথ পালন করেন?
এমনই এক বৈষম্যের ঘটনা ঘটেছে মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলা ভূমি অফিসের হেড এসিট্যান্ট কাম একাউন্ট্যান্ট বিলকিস আক্তার এর সাথে।
সূত্র বলছে, ২০১০ সালে মুন্সীগঞ্জ সদর,উপজেলা ভূমি অফিসে হেড এসিট্যান্ট কাম একাউন্ট্যান্ট পদে যোগদানের পর স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যুদের অবৈধ চাওয়ায় সহযোগিতা না করার কারণে তার নিজ দপ্তর থেকে পানিশমেন্ট পোস্টিং হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরে ২০১৬ সালে প্রেষণে বদলি করা হয়।
অথচ তার বেতন ও ভাতা মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসেই হয়ে থাকে।
আওয়ামী লীগ আমলে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে চাকরি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও তার নিজ কর্মস্থলে তিনি ফিরতে পারেননি।
বিএনপিপন্থী পরিবারের এই ছোট পদের চাকুরে নারীটির অধিকারের ব্যাপারে শহীদ জিয়ার সন্তানের প্রধানমন্ত্রীত্বের আমলে তিনি তার অধিকারের জায়গায় ফিরতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের জেলা প্রশাসক ২৫ তম বিসিএস এডমিন অফিসার ফাতেমাতুল জান্নাত এবং ২৭ তম বিসিএস এডমিন অফিসার নূরমহল আশরাফির বরাবর আবেদন করেও তিনি তার স্বজায়গায় ফিরতে পারেননি।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সরফ উদ্দিন চৌধুরী মহোদয়ের বিশেষ সহযোগিতা তিনি কামনা করেন।
চাকুরী বিধিতে একই দপ্তরে তিন বছরের বেশি কারোর দায়িত্ব পালনের সুযোগ না থাকলেও প্রেশণে কিভাবে একজন সাধারণ কর্মচারীকে ৯ বছর পানিশমেন্ট স্বরূপ রাখা হয় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উপজেলা পর্যায়ের একজন কর্মচারী যদি নিয়ম বহির্ভূত কিছু করে থাকে তাহলে তাকে বদলিপূর্বক আরেক উপজেলায় বদলি করার নিয়ম প্রচলিত আছে ।
অথচ উপজেলা পর্যায়ের কর্মচারীকে জেলা পর্যায়ে এনে অমর্যাদাকর ব্যবহার করা হয়েছে যা কোন অবস্থাতেই কাম্য হতে পারে না।
সেক্ষেত্রে মুন্সিগঞ্জ সদর ভূমি অফিসের একজন কর্মচারীকে তার নিজ উপজেলা ব্যতীত শ্রীনগর, সিরাজদিখান, অথবা লৌহজং পদায়ন করাটাই যুক্তিযুক্ত বলে সূত্র বলছে।